ঘুম ঠিক না হলে ক্লান্তি লাগা সহ মনোযোগ কমে যাওয়া, মেজাজ খিটখিটে হওয়া, মাথা ভার লাগা এবং দৈনন্দিন কাজে অনীহাও দেখা দিতে পারে।
অনেক সময় অনিয়মিত ঘুমের সময়, অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার, রাতে চা-কফি, মানসিক চাপ কিংবা ভারী খাবার ঘুম নষ্ট করার পেছনে কাজ করে।
ঘুম ভালো করার সবচেয়ে কার্যকর ঘরোয়া উপায়গুলোর একটি হলো শরীরকে একটি নির্দিষ্ট রুটিনে অভ্যস্ত করা।
প্রতিদিন প্রায় একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং সকালে একই সময়ে ওঠার চেষ্টা করুন। ঘুমানোর অন্তত ৩০–৬০ মিনিট আগে মোবাইল, টিভি বা কম্পিউটারের উজ্জ্বল স্ক্রিন থেকে দূরে থাকলে মস্তিষ্ক ধীরে ধীরে বিশ্রামের জন্য প্রস্তুত হতে পারে।
রাতে অতিরিক্ত চা, কফি, এনার্জি ড্রিংক বা ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় এড়িয়ে চলা ভালো। পরিবর্তে হালকা গরম দুধ বা ক্যাফেইনমুক্ত উষ্ণ পানীয় নেওয়া যেতে পারে। তবে কোনো পানীয়ই ঘুমের নিশ্চিত চিকিৎসা নয়—মূল বিষয় হলো শরীর ও মস্তিষ্ককে শান্ত হওয়ার পরিবেশ দেওয়া।
ঘরের আলো কিছুটা কমিয়ে দেওয়া, কক্ষকে শান্ত ও আরামদায়ক রাখা, হালকা বই পড়া, ধীরে গভীর শ্বাস নেওয়া বা কয়েক মিনিটের রিল্যাক্সেশনও ঘুম আসতে সহায়তা করতে পারে। দিনে নিয়মিত হাঁটা বা হালকা ব্যায়াম ঘুমের মান উন্নত করতে সাহায্য করে, তবে ঘুমানোর ঠিক আগে ভারী ব্যায়াম না করাই ভালো।
বিছানায় শুয়ে দীর্ঘ সময় মোবাইল দেখা, কাজ করা বা ভিডিও দেখার অভ্যাস মস্তিষ্ককে জেগে থাকার সংকেত দিতে পারে। ঘুম না এলে জোর করে শুয়ে না থেকে কিছুক্ষণ শান্ত কোনো কাজ করে আবার ঘুমানোর চেষ্টা করা যেতে পারে।
ভালো ঘুমের জন্য নিয়মিত, শান্ত এবং স্বাস্থ্যকর রুটিন সবচেয়ে কার্যকরী এবং ফলপ্রুস পন্থা।
